অক্টোবর ২৯, ২০১৯ আগে আপডেট বিকাল ৫:৫৭ ; বুধবার ; ২০শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং
facebook Youtube google+ twitter
×

 

‘ব্লাকার ফারুক’ আমলনামা

অনলাইন ডেস্ক
২:১৯ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৯, ২০১৯

দৃশ্যমান কোন আয়ের উৎস্য ছিলনা গোলাম ফারুকের। শিল্পপতি পরিচয় দিয়ে রাজনীতির মাঠে নামেন। গায়েবী ক্ষমতা দিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের জেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের সংস্পর্শে গিয়ে রাতারাতি হয়ে ওঠেন দলটির নেতা। পেয়ে যান সফলতাও। আওয়ামীলীগের মনোনয়নে ২০০৯ সালে বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়ে নির্বাচিত হন। তারপর থেকেই গোলাম ফারুক বানারীপাড়ায় শুরু করেন তার রামরাজত্ব। তবে গত বৃহস্পতিবার এক তরুনী রাজধানীর ভাটারা থানায় ফারুকের বিরুদ্ধে ধর্ষনের অভিযোগে মামলা দায়ের করলে খসে পড়তে শুরু করে তার (ফারুক) মুকোটের পালক। বানারীপাড়া উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ ফারুকের কুর্কিতির বিরুদ্ধে এখন মুখ খুলতে শুরু করেছেন। আওয়ামীলীগের জেলা ও উপজেলার পদ থেকেও বহিস্কৃত হয়েছেন তিনি।

যেভাবে শুরু ::  ২০০৮ সালে হঠাৎ করেই বানারীপাড়ার রাজনীতিতে অনুপ্রবেশ ঘটে গোলাম ফারুকের। উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের সন্ধ্যা তীরবর্তী দান্ডোয়াড গ্রামের মোতাহার উদ্দিনের একমাত্র ছেলে গোলাম ফারুক বানারীপাড়ায় ঘন ঘন যাতায়াত শুরু করেন ওয়ান ইলেভেনের সরকারের সময়ে। বানারীপাড়ার সাবেক এক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, প্রথমে বিএনপির রাজনীতি করার টার্গেট নিয়ে বরিশাল- ২ আসনের বানারীপাড়া ও উজিরপুর উপজেলার সামাজিক, ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রচুর দান-অনুদান দেয়া শুরু করেন তিনি। দুই উপজেলার বিএনপি নেতাদের সঙ্গে সখ্যতাও গড়ে উঠেছিল ফারুকের। স্থানীয় সুত্রগুলোর মতে, ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ভরাডুবি ঘটলে ভোল পাল্টাতে শুরু করেন গোলাম ফারুক। তখন বরিশালের দুই শীর্ষ আওয়ামীলীগ নেতার সঙ্গে সখ্যতা গড়ে বনে যান আওয়ামীলীগ নেতা। সময়ের ব্যবধানে পেয়ে যান আওয়ামীলীগের জেলা ও উপজেলা শাখার পদ। দলটির মনোনয়নে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন বানারীপাড়া উপজেলা পরিষদে।

স্থানীয় সুত্র জানায়, সুযোগ সন্ধানী ও ধান্দাবাজ গোলাম ফারুকের বাবা মোতাহার উদ্দিন বানারীপাড়ার চাখার কো-অপারেটিভ ব্যাংক থেকে বিভিন্ন মানুষের স্বাক্ষর জাল করে ঋন নেয়ায় কারাভোগ করেন। এরপর এলাকা ছাড়েন গোলাম ফারুক। সুত্রমতে, ২০০০ সালের দিকে মামা বাড়ির কিছু জমি বিক্রি করে ঢাকার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান ফারুক। ঢাকায় গিয়ে শুরু করেন ভারতীয় শাড়ির কালোবাজারীর ব্যবসা। অনেক প্রত্যক্ষদর্শীর মতে, ২০০০ সালের মাঝামাঝি সময়ে গোলাম ফারুক ঢাকার বিভিন্ন পাইকারী মার্কেটে বাই সাইকেল চালিয়ে ভারত থেকে চোরাই পথে আনা শাড়ি বিক্রি করতেন। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর সুচাতুর গোলাম ফারুক তার অন্ধকার জগতের কর্মকান্ডের কারনে নজরে পড়েন তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের। জানা যায়, হাওয়া ভবনের অন্যতম নায়ক লুৎফুজ্জামান বাবর ফারুককে দায়িত্ব দেন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চোরাই স্বর্ণ বহনের। এজন্য গোলাম ফারুক পরিচিত পান ‘ব্লাকার ফারুক’ নামে। তবে অপর একটি সুত্র বলেছে, চোরাই স্বর্ণ ব্যবসার আগে গোলাম ফারুক লুৎফুজ্জামান বাবরের লাগেজ পার্টির সদস্য ছিলেন। দুবাই থেকে বাংলাদেশে চোরাই স্বর্ণ আনার বাহক হিসাবে গোলাম ফারুক রাজধানীতে তখন ব্যাপক প্রতিষ্ঠা পান। একবার বিপুল চোরাই স্বর্ণসহ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফারুক ধরা পড়লে তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও হাওরা ভবনের অপর কর্ণধার গিয়াসউদ্দিন আল মামুন প্রভাব খাটিয়ে ফারুককে ছাড়িয়ে নেন। তখন একাধিক জাতীয় গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদও প্রকাশ হয়েছিল।

সুত্রমতে, স্বর্ণ চোরাচালানের ব্যবসায় জড়িয়ে গোলাম ফারুক হঠাৎ করে বিপুল বিত্ত বৈভবের মালিক হয়ে যান। ২০০৬ সালের পর বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের পতন হলে ফারুকের চোরাই স্বর্ণ ব্যবসায় ভাটা পড়ে। ওই সময়ে দুবাইতে ফারুকের কেনা ফ্লাট সিলগালা করে দিয়েছিল দুবাই পুলিশ। অভিযোগ আছে, ওয়ান ইলেভেনের সময় বিএনপি রাজনৈতিভাবে বিপর্যস্থ হয়ে পড়লে লুৎফুজ্জামান বাবর ও গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের কয়েকশত কোটি টাকা আত্মসাত করেন ফারুক। যা দিয়ে ফারুক তার রাজনৈতিক পথ চলা শুরু করেন এবং রাজধানীসহ বরিশালে গড়ে তোলেন সম্পদের পাহাড়।

ঢাকা ও বরিশালে সম্পদের পাহাড় : দ্বিতীয় মেয়াদে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হয়ে বানারীপাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রে কয়েক কোটি টাকা দামের জমি কেনেন গোলাম ফারুক। বানারীপাড়ার সন্ধ্যা নদীর পশ্চিম তীরের বিভিন্ন গ্রামে ফারুক নামে-বেনামে কিনেছেন কয়েকশত একর জমি। বরিশাল নগরের ফড়িয়াপট্রিতে রয়েছে তার কয়েক কোটি টাকার বিশাল বাড়ি। রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়িতে ২/৩ বছর আগে প্রায় ৫ একর জমি কিনেছেন। এছাড়া ধানমন্ডিতে একটি, উত্তরায় দুটি এবং বসুন্ধরায় একটি বিলাসবহুল ফ্লাট আছে ফারুকের। জানা গেছে, এক বছর আগে পণ্যবাহি জাহাজ তৈরীর জন্য একটি জাহাজ নির্মানকারী প্রতিষ্ঠানে ১৫ কোটি টাকা দিয়েছেন ফারুক। আমেরিকায় স্ত্রীর নামে বাড়ি ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বিপুল অর্থ রয়েছে তার। সরকারি গাড়ি ছাড়াও কয়েক কোটি টাকা মূল্যের ৩টি গাড়ি ব্যবহার করেন ফারুক।

চাকুরীর নামে অর্থ লোপাট : নিজেকে শিল্পপতি পরিচয় দিয়ে রাজনীতিতে আসলেও গোলাম ফারুকের মালিকানাধীন কোন শিল্প প্রতিষ্ঠান নেই। দু’হাতে টাকা উড়ালেও দৃশ্যমান বৈধ কোন আয়ের কোন উৎসও নেই ফারুকের। তবে বানারীপাড়াবাসীর অভিযোগ, পরপর দু’বার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে এ উপজেলার কয়েকশত মানুষের কাছ থেকে চাকুরী দেয়ার নাম করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন ফারুক। উপজেলার শিয়ালকাঠী গ্রামের মালেক চৌকিদারের ছেলে সুমন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নৈশ প্রহরী পদে চাকুরী দেয়ার জন্য ফারুক সুমনের কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা নিলেও চাকুরী হয়নি সুমনের। টাকাও ফেরত পাচ্ছেন না দুবছর ধরে। একই গ্রামের তরুন প্রতিবন্ধী তানভির, বানারীপাড়া বন্দরের একটি ইলেকট্রনিক্স পণ্যের দোকানে চাকুরী করেন। এই তানভীরের কাছ থেকেও ২ লাখ টাকা নিয়েছেন ফারুক চাকুরী দেয়ার কথা বলে। কিন্ত প্রতিবন্ধী তানভীরের চাকুরী হয়নি, টাকাও ফেরত পাচ্ছেন না। পশ্চিম বাইশারী গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের ছেলেকে প্রাথমিকের শিক্ষক পদে চাকুরী দেয়ার কথা বলে নেয় ৫ লাখ টাকা। উত্তরকূল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক সময়ের সভাপতি গোলাম ফারুক ওই বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী রমজানকে চাকুরী দিতে ৭ লাখ টাকা উৎকোচ নিয়েছেন বলে অভিযোগ আছে। বানারীপাড়ার প্রতিটি গ্রামেই ২-৪ জন আছেন, যারা চাকুরীর জন্য ফারুককে টাকা দিয়েছেন, কিন্ত চাকুরী হয়নি, আবার টাকাও ফেরত পাচ্ছেন না। সর্বশেষ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও মেম্বর প্রার্থীদের বিজয়ী করার গ্যারান্টি দিয়ে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন গোলাম ফারুক। যা এখন বানারীপাড়ার সচেতন মানুষের মুখে মুখে আলোচিত হচ্ছে।

বেপরোয়া সন্ত্রাস : বানারীপাড়ার বাইশারী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক তাজেম আলী হাওলাদার ২০১৩ সালে দলীয় মনোনয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হন। কিন্ত একই ইউনিয়নে বিএনপি দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন গোলাম ফারুকের ভগ্নিপতি মাইনুল ইসলাম মোহাম্মদ। ভগ্নিপতিকে বিজয়ী করতে নির্বাচনের দিন বাইশারীর সবকটি ভোট কেন্দ্রে ত্রাশের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন গোলাম ফারুক। বাইশারী কেন্দ্রে ফারুককে ভগ্নিপতির পক্ষে ভোট ডাকাতি করতে বাঁধা দিয়েছিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী তাজেম আলী হাওলাদার এবং উপজেলা আওয়ামীলীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শাকিল খান। ক্ষিপ্ত হয়ে ফারুক তার পেটোয়া বাহিনী নিয়ে তাজেম আলী ও শাকিল খানকে বেধরক মারধর করে দুজনেরই মাথা ফাটিয়ে দেন। এ ঘটনায় মামলাও হয়েছিল ফারুকের বিরুদ্ধে। কিন্ত শেষ পর্যন্ত ফারুকের প্রভাবে ওই মামলা ধোপে টেকেনি। দুই পুরানো আওয়ামীলীগ নেতা তাদের ওপর হামলার বিচার পাননি। ফারুক তার সর্বশেষ উপজেলা নির্বাচনে বিশারকান্দি ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রে ভোট ডাকাতি করতে গিয়ে আওয়ামীলীগ কর্মী উত্তমকে পিস্তলের বাট দিয়ে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়। একই নির্বাচনে সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা লালন ও বাইশারীর বাবুল খানকে বেদম মারধর করেন ফারুক ও তার পেটোয়া বাহিনী। সাংবাদিকরাও জিম্মি ছিলেন ফারুকের হামলা-মামলার ভয়ে। সংবাদ প্রকাশে ক্ষুদ্ধ হয়ে বিজয় টিভির বানারীপাড়া উপজেলা প্রতিনিধি ইলিয়াস শেখকে উপজেলা পরিষদে ডেকে নিয়ে মারধর করেন গোলাম ফারুক। তুচ্ছ বিরোধের জেরে ফারুকের হামলার শিকার হন বন্দরের ব্যবসায়ী আশিকুজ্জামান। বানারীপাড়া-উজিরপুরের সাবেক সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলাম মনির ওপর থানার সামনে হামলা চালান গোলাম ফারুক। এনিয়ে তখন দলের মধ্যে ব্যাপক তোলপাড় হলেও রহস্যজনক কারনে ফারুককে কোন শাস্তি পেতে হয়নি।

মিষ্টার ১৩ পার্সেন্ট : চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে বানারীপাড়া উপজেলায় ত্রান ও দূর্যোদ মন্ত্রাণালয়ের ৭ গ্রুপের প্রায় ৫ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ পছন্দের লোকদের মধ্যে ভাগবন্টন করেন গোলাম ফারুক। ১৩ পার্সেন্ট হারে কমিশন নিয়ে কাজগুলো পছন্দের ঠিকাদারদের পাইয়ে দেন তিনি। এ ঘটনায় ওই কাজের জন্য দরপত্র ক্রয়কারী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স খন্দকার ব্রাদার্সের পক্ষে মো. জিয়াউদ্দিন জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া লিখিত অভিযোগে বলেছেন, নিয়মানুযায়ী লটারির মাধ্যমে কাজগুলো ঠিকদারদের মধ্যে বন্টনের নিয়ম থাকলেও তা করা হয়নি। তাই পুনরায় লটারীর দাবী জানিয়ে খন্দকার ব্রাদার্সের পক্ষে ঠিকাদার জিয়াউদ্দিন আবেদন জানিয়েছিলেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বানারীপাড়ার এক শীর্ষ ঠিকাদার অভিযোগ করেন, বিগত ১০ বছর ধরে বানারীপাড়ার সকল উন্নয়ন কাজ ভাগবন্টন হচ্ছে গোলাম ফারুকের নেতৃত্বে। তার পছন্দের ঠিকাদারদের কাছ থেকে ১৩ পার্সেন্ট হারে কমিশন নিয়ে সব কাজ বন্টন করেন ফারুক। ফারুকের এ কমিশন বানিজ্য ও ভাগবন্টন নীতি এখন বানারীপাড়ায় অলিখিত প্রথায় পরিনত হয়েছে। অভিযোগ আছে, উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রায় একযুগ ধরে বানারীপাড়ার প্রকৌশল দপ্তরে কমিশণ বানিজ্যের রাজত্ব কায়েম করেছে ফারুক।

তবে অভিযোগের ব্যাপারে বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার ফোন করা হলেও ফারুকের নম্বর বন্ধ পাওয়া গেছে।

সূত্র :: সমকাল (২৯ অক্টোবর, শেষের পাতা )
বিশেষ প্রতিবেদন, লিড নিউজ
[addthis tool="addthis_inline_share_toolbox_nev1"]

আপনার মতামত লিখুন :

আমাদের ফেসবুক পাতা
এই বিভাগের আরো সংবাদ

কনসালটেন্ট এডিটরঃ অপূর্ব অপু

আইটি কনসালটেন্ড এডিটরঃ ইন্জিনিয়ার জিহাদ রানা

সম্পাদকঃ এম নাসিম

বার্তা সম্পাদকঃ শাকিল মাহমুদ

ভুইয়া ভবন (তৃতীয় তলা), ফকির বাড়ি রোড, বরিশাল ৮২০০।

মোবাইল:

ই-মেইল: jagobarisal@gmail.com
© কপিরাইট জাগোবরিশাল ২০১৮-২০১৯
টপ
  ‘ব্লাকার ফারুক’ আমলনামা   ধর্ষণ মামলার আসামি ফারুককে খুঁজছে পুলিশ   নারী কেলেঙ্কারীতে অধ্যক্ষ মুকুল থেকে চেয়ারম্যান ফারুক: বরিশালে তোলপাড়   উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম ফারুকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ   দাম বেশি রাখায় পারাবত ১২ লঞ্চের ক্যাফে শাওন কে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা, প্রতারিত ক্রেতা পেলেন জরিমানার ২৫% অর্থ   বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত   রিমান্ডে সেলিম এবং শামীম-খালেদ কারাগারে   প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বিশ্বে বাংলাদেশ রোল মডেল   ফাহাদের ভাই চাইলে নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী   ভোলায় ২০ জেলের ইলিশ শিকারের দায়ে কারাদণ্ড   সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ থাকে বৃহস্পতি-শনিবার   আবরারকে দুই দফায় স্টাম্প দিয়ে শতাধিক আঘাত করে অনিক   ১১ হাজার গৃহহীন পাচ্ছেন দুর্যোগ সহনীয় ঘর   বুয়েটে অভিযান অব্যাহত,ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদকের কক্ষ সিলগালা   আবরার হত্যাকারীদের শাস্তির দাবিতে বরিশালে প্রতিবাদ সমাবেশ   বরিশালে অতিরিক্ত মদ্যপানে তিন যুবকের মৃত্যু   আমি শিশুদের শিশুবান্ধব নগরী উপহার দেব : মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ   বনমালী ছাত্রী নিবাসে অবৈধ সুযোগ-সুবিধা বন্ধে প্রশাসনের অভিযান ॥ নাখোশ কতিপয় নেত্রী   স্কুল ছাত্রী ধর্ষন, প্রধান আসামি র‌্যাব-৮ এর অভিযানে গ্রেপ্তার   কোরবানির ঈদকে সামনে ব্যস্ততা বেড়েছে বরিশালের কামারপল্লীতে